Toy Train: দার্জিলিংয়ের টয় ট্রেনের ১৪৫ বছর, রং-তুলিতে সেজে উঠল ইউনেস্কো হেরিটেজ দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে
সুকনা, দার্জিলিং: বিশ্বের প্রথম ইউনেস্কো স্বীকৃত (World Heritage Site) রেলপথ হল DHR বা দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (Darjeeling Himalayan Railway)। ৪ জুলাই ১৪৫ বছরে পা দিল টয় ট্রেন হিসাবে খ্যাত এই ঐতিহাসিক রেলপথ। দার্জিলিং থেকে নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত চলা এই টয় ট্রেন শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের গর্ব নয়, এই ট্রেন বিশ্বের অন্যতম বিখ্যাত ট্রেন।
১৮৮১ সালের ৪ জুলাই দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (Darjeeling Himalayan Railway) প্রথম বারের জন্য তার যাত্রা শুরু করে। আর সেই কারণেই এই ৪ জুলাইকে সরকারি স্তরে ‘টয় ট্রেন দিবস’ হিসাবে যাতে স্বীকৃতি দেওয়া হয়, তার দাবিও উঠেছে বিভিন্ন মহলে।
প্রথমবার টয় ট্রেন চলে শিলিগুড়ি টাউন স্টেশন থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত। আর শুক্রবার সেই যাত্রার ১৪৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সুকনা স্টেশনে নর্থ বেঙ্গল পেইন্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (এনবিপিএ) এবং DHR বা দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (Darjeeling Himalayan Railway) -এর যৌথ উদ্যোগে বসে আঁকো প্রতিযোগিতা, আর্ট ওয়ার্কশপ, চিত্রপ্রদর্শনী এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এই অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক স্কুল পড়ুয়া অংশ নেয়। টয় ট্রেনকে ঘিরে দিনভর উৎসবের আবহে মেতে ওঠেন শিল্পী, পড়ুয়া ও দর্শনার্থীরা। উল্লেখ্য, ১৮৮১ সালের ৪ জুলাই শিলিগুড়ি টাউন স্টেশন থেকে প্রথমবারের মতো দার্জিলিংয়ের উদ্দেশে পূর্ণাঙ্গ যাত্রা শুরু করে এই ঐতিহাসিক টয় ট্রেন।
১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো (UNESCO) এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্য বা World Heritage Site হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বর্তমানে নিউ জলপাইগুড়ি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত ৮৭.২১ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথে ১২ টি স্টেশন অতিক্রম করে এই ট্রেন। প্রায় ৭ ঘণ্টা ২০ মিনিট সময় নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছায় এই ঐতিহ্যবাহী ট্রেন।
এদিকে চলতি বছরে টয় ট্রেনে পর্যটকের সংখ্যা ও আয়—দু’দিকেই রেকর্ড তৈরি হয়েছে। DHR বা দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (Darjeeling Himalayan Railway) -এর ডিরেক্টর ঋষভ চৌধুরী জানান, ২০২৬ সালের জুন মাসে প্রায় ৩৫ হাজার পর্যটক টয় ট্রেনে ভ্রমণ করেছেন। এর ফলে, আয় হয়েছে রেকর্ড ৩ কোটি ৯৮ লক্ষ টাকা। DHR বা দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (Darjeeling Himalayan Railway) -এর ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ। এর আগে মে মাসে ৩৪ হাজার যাত্রী পরিবহন ও ৩ কোটি ৯৫ লক্ষ টাকা আয়ের রেকর্ড ছিল। নতুন পরিষেবা চালু এবং বিকল্প পর্যটন কেন্দ্রের সঙ্গে সংযোগ বৃদ্ধির ফলেই এই সাফল্য এসেছে বলে তিনি জানান।
Suvendu Adhikari: উত্তরবঙ্গে চা শ্রমিকদের উন্নয়নে বিপুল বরাদ্দ, পোস্ট মুখ্যমন্ত্রীর
