TMC Rebel MPs: পশ্চিমবঙ্গে এবার নতুন রাজনৈতিক দল, তৃণমূলের বিদ্রোহীরা যোগ দিচ্ছেন NCPI-তে, NDA-র বন্ধু
কলকাতা: শেষ পর্যন্ত খান খানই হয়ে যাচ্ছে তৃণমূল। দলের বিদ্রোহী সাংসদরা বিজেপি-তে যোগ দিচ্ছেন না। তাঁরা যোগ দিচ্ছেন ত্রিপুরার ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা NCPI-তে। বাঙালি-কেন্দ্রিক দলটি ত্রিপুরা এবং অসমে আগে থেকেই কাজ করছে। বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদরা যুক্ত হওয়ার পর NCPI পশ্চিমবঙ্গেও পা রাখতে চলেছে তারা। দলের কার্যালয় তৈরি হবে পশ্চিমবঙ্গে। (Nationalist Citizens Party of India) (NCPI)
নতুন দল আসছে পশ্চিমবঙ্গে
তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা NDA-তে সরাসরি যোগ দিতে পারবেন না বলে তত্ত্ব উঠে আসছিল। রবিবার যখন দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠক করছেন তাঁরা, দেখা করতে যাচ্ছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে, সেই সময়ও তাঁদের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে জল্পনা চলছিল। তবে বিকেল গড়িয়ে সন্ধে হতে হতেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে, ত্রিপুরার NCPI-তে যোগ দিতে যাচ্ছেন তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা। (TMC Rebel MPs)
ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা NCPI-তে যোগ দিচ্ছেন তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা
অর্থাৎ তৃণমূলে বিক্ষুব্ধ সাংসদদের বিদ্রোহ শেষ। তৃণমূল ছেড়ে অন্য দলে যোগ দিচ্ছেন তাঁরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে নতুন পরিচয় গ্রহণ করতে চলেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, দেব, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষ, মালা রায়রা। সেই মর্মেই এদিন ভূপেন্দ্রর বাড়িতে বসে চিঠি লেখা হয় ওম বিড়লাকে। NCPI সদস্য হিসেবেই সংসদীয় পরিচয় পাওয়ার আর্জি জানান।
NDA এবং বিজেপি-র সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক NCPI-এর
২০২৩ সালে রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করে NCPI. দলের নেতৃত্বের সঙ্গে কথা হয়েছে বৈঠক থেকে। বিজেপি নেতৃত্বাধীন NDA শিবিরের সঙ্গে বন্ধুপূর্ণ সম্পর্ক দলটির। সেই দলেই যোগ দিচ্ছেন তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ।
কেন NCPI-তে যোগ দিচ্ছেন তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের? জানা যাচ্ছে, আইনি জটিলতা এড়াতেই এমন পদক্ষেপ। কারণ তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা ভূপেন্দ্রর বাড়িতে বসে যে চিঠি লেখেন প্রথমে, তাতে ‘আসল’ তৃণমূল বা তৃণমূলের স্বতন্ত্র শাখা হিসেবে পরিচয় দেওয়ার কথা বলেন তাঁরা। কিন্তু তাঁরা স্পিকারের কাছে যাওয়ার আগেই অভিষেকের লেখা চিঠি নিয়ে পৌঁছে যান মমতার তৃণমূলের দুই সাংসদ কীর্তি আজাদ এবং সাগরিকা ঘোষ। সেক্ষেত্রে NDA-তে যোগ দেওয়ায় জটিলতা তৈরি হতে পারত। সংসদে বাদল অধিবেশনের আগে আইনি জটিলতায় পড়তে হতো বিদ্রোহী সাংসদদের, পাশাপাশি মমতা-অভিষেককেও। সেই জটিলতা এড়াতেই শেষ পর্যন্ত NCPI-তে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত।
দিল্লি সূত্রে খবর ভূপেন্দ্রর বাড়ি থেকে তিনটি দলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। নির্বাচনে অংশ নিতে পারে দেশে এমন কয়েক নথিভুক্ত দলের সংখ্যা কয়েক হাজার। এর মধ্যে বাঙালি মনোভাবের সংযোগ থাকা NCPI-কে বেছে নেওয়া হয়। ২০২৩ সালে ওই দলটি ত্রিপুরায় নথিভুক্ত হয়।
#WATCH | Delhi: After meeting Lok Sabha Speaker Om Birla, Rebel TMC MP Kakoli Ghosh Dastidar says, “We requested separate seating arrangements. we’ve said that we are merging with the Nationalist Citizens Party.” pic.twitter.com/t0zR64bD0x
— ANI (@ANI) June 14, 2026
এদিন স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে বেরনোর পর কাকলি বলেন, “আমরা আলাদা বসার আবেদন জানিয়েছি। জানিয়েছি, ন্যাশনালিস্ট পার্টির সঙ্গে জুড়ে যাচ্ছি আমরা। আমরা তৃণমূলের ২০ জন নির্বাচিত সাংসদ স্পিকারের সঙ্গে দেখা করেছি এবং চিঠি দিয়েছি ওঁকে। ২০ জন সাংসদ মোট শক্তির দুই তৃতীয়াংশ। ন্যাশনালিস্ট পার্টির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছি আমরা। এর পর NDA নেতৃত্ব এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সমন্বয় রেখে কাজ করব আমরা।”
TMC News: শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের খেলার মাঠের ঘর থেকে উদ্ধার প্রচুর ত্রাণ সামগ্রী
