Voice of Eastern India

‘বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি’, সুদীপকে নিয়ে জল্পনার আবহে আক্রমণ শানালেন কুণাল


কলকাতা : তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরে এবার সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ? এনিয়ে জল্পনার মধ্যে তৃণমূল নেতাকে তীব্র আক্রমণ করলেন দলেরই বিধায়ক কুণাল ঘোষ। বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে পৌঁছেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে রয়েছেন শতাব্দী রায়। প্রায় দুই ঘণ্টা হতে চলল ভূপেন্দ্র যাদব। বিজেপি নেতার ৯ মতিলাল নেহরু মার্গের বাড়িতে রয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। এ প্রসঙ্গে এবার সুর চড়িয়ে কুণাল বললেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের নেত্রী। এগুলো প্রাপ্য ছিল। এই ধরনের লোকগুলোকে উনি মাথায় তুলেছেন। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্য়ায় যাওয়া মানে তো বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি। বিজেপি মার্কেটিংয়ে তো বিরাট সাকসেস। শুধু সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় একটা পরচুলোওয়ালা ওরকম একটা অদ্ভুত টাইপের লোক পাওয়া গেল তা-ই নয়, তারসঙ্গে একটা ভ্রাম্যমাণ বিউটি পার্লার পাওয়া যাবে। ফলে, বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি। এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাপ্য, পাওনা। এ ধরনের জিনিসপত্রকে উনি মাথায় তুলে রেখেছিলেন। তাপস রায়কে চলে যেতে হল। কেন যেতে হয়েছে ? তাপস রায়ের মতো একটা দক্ষ নেতা। এই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় হোয়াটসঅ্যাপে করে করে কেঁদে কেঁদে বলেছেন, মমতা আমাকে উত্তর কলকাতার সভাপতি আবার করে দাও। সজল ঘোষের বাড়িতে পুলিশ দিয়ে দরজা ভাঙানো হয়েছে। একমাত্র কুণাল ঘোষ প্রকাশ্যে ট্যুইট করে প্রতিবাদ করে, দলের লাথি-ঝেঁটা খেয়েছি সেদিন। এগুলো কারা করেছে ? ওখানকার এইসব লোকজন। আমাকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল কেন ? আমি বলেছিলাম, মানুষ হিসাবে তাপস রায় ভাল। আমাদের দলের প্রার্থী সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। আমি বলেছিলাম, আমাকে সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়েছিল। আজ দেখুন, কে ভাল কে খারাপ।”

লোকসভায় তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা ২৮। তার মধ্যে আপাতত ১৯ জনই ‘বিদ্রোহী’। বিপাকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে যখন ‘INDI’ জোটের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা, তখন সেখান থেকে মেরেকেটে ১ কিলোমিটার দূরে, ৯ মতিলাল নেহরু মার্গে নরেন্দ্র মোদি সরকারের পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে বৈঠক করেন বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদরা। ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই NDA-কে সমর্থন জানাতে আলাদা ব্লক তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সূত্রের দাবি, প্রথমে বিদ্রোহীদের চিঠিতে ১৪ জন সই করেন এবং পরবর্তীকালে বিদ্রোহীদের চিঠিতে সই করেন আরও ৫ জন সাংসদ। তাঁরা হলেন- মালা রায়, সায়নী ঘোষ, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, ইউসুফ পাঠান এবং মিতালি বাগ। এবার সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.