Voice of Eastern India

হাওড়ার পিলখানার কাছে হামিমের একটি দোকানের হদিশ, আড়ালে কী চলত? জানতে তদন্তে STF


আবির দত্ত, কলকাতা : হাওড়ার পিলখানার কাছে হামিমের একটি দোকানের হদিশ। বারকোড, প্রিন্টিং থেকে স্মার্ট আইডি কার্ড তৈরি সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজ করা হত এখানে। এর আড়ালে ঠিক কী চলত? জানতে তদন্তে নেমেছে STF. স্থানীয় দোকানদারেরা জানান, গত ১-২ দিন ধরে এলাকায় হামিমকে দেখা যাচ্ছে না। এমনকী এলাকায় কারোর সঙ্গে মেলামেশাও ছিল না হামিমদের। বর্ধমান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে হামিম মণ্ডলকে। বর্ধমানে যাওয়ার আগে হাওড়ার পিলখানায় থাকত হামিম। বেঙ্গল এসটিএফ হামিম মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার সঙ্গে ভাট্টি গ্যাংয়ের যোগের কথাও জানা গিয়েছে। 

হাওড়ার ৭ নম্বর আলম মিস্ত্রি লেনে একটি দর্জির দোকান রয়েছে। ওই একই ঠিকানায় একটি প্রিন্টিংয়ের দোকান চালাত হামিম। এখন দোকান তালাবন্ধ। নির্বাচনের ফল বেরনোর আগেই বর্ধমান চলে গিয়েছিল সে, এমনটাই খবর পুলিশ সূত্রে। হাওড়ার পিলখানা থেকে সটান বর্ধমানের অভিজাত জায়গা রেনেসাঁ টাউনশিপে থাকতে যা হামিম। পরিবারের সঙ্গে সেখানে থাকত সে। কীভাবে হামিমের হাতে এত টাকা এল, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়রা হামিমের এ হেন জঙ্গি-যোগের ব্যাপারে কিছুই জানতে পারেননি। বাবা, ছেলে দু’জনেই কারখানায় আসত, কাজ করত, এটুকুই জানিয়েছে স্থানীয়রা। হামিম এবং তার পরিবার খুব বেশি মেলামেশা করত না বলেও জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। 

হামিম-অর্পিতার ‘হানিট্র্যাপ’, ফেক অ্যাকাউন্ট বানিয়ে কথা, তারপর…, কীভাবে চলত ষড়যন্ত্র ?

বর্ধমান থেকে গ্রেফতার হয়েছে জঙ্গি হামিম মণ্ডল। আর ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তার বান্ধবী অর্পিতা সরকারকে। দু’জনের বিরুদ্ধেই একাধিক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। বেঙ্গল এসটিএফ সূত্রে যেসব খবর পাওয়া যাচ্ছে, তাও চমকে দেওয়ার মতো। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ফেক অ্যাকাউন্ট বানিয়ে কথা, তারপরই ভিক্টিমের বিশ্বাস-ভরসা অর্জন করে অপহরণের ষড়যন্ত্র! রাজ্য পুলিশের STF সূত্রে খবর, ঠিক এভাবেই চলত হামিম-অর্পিতার ‘হানিট্র্যাপ’ পরিকল্পনা। বর্ধমানের জিম থেকে হামিমের গ্রেফতারির পরে ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে তাঁর বান্ধবী অর্পিতা সরকার। তদন্তকারীদের আতসকাচের তলায় এসেছে ধৃত হামিমের সঙ্গে তাঁর বান্ধবীর চ্যাট। 

STF সূত্রে খবর, সেই চ্যাটেই দেখা যাচ্ছে, বান্ধবী অর্পিতা সরকারকে মেসেজ করে হামিম জানাচ্ছে, ‘সাহাজাদ ভাট্টি’ গ্যাং অস্ত্র পাঠাবে বলে সম্মতি জানিয়েছে। নজর এড়াতে ‘ডিসকর্ড’ অ্যাপে কথা বলতে বলে হামিম। এমনকী ‘হানিট্র্যাপ’-এর জন্য ফেক অ্য়াকাউন্ট বানিয়েছিল অর্পিতা। সেখানেই প্রথমে ভিক্টিমের বিশ্বাস-ভরসা অর্জন করত অর্পিতা। তারপরই অপহরণ করে ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা করা হত। ইতিমধ্যেই ধৃত অর্পিতার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে যেখানে দুটি সিমকার্ড ছিল। 



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.