কলকাতা : শনিবার কলকাতার প্রাক্তন কাউন্সিলরদের নিযে বৈঠকে বসেছিলেন ‘ঋতব্রত-তৃণমূল’-এর নেতারা। সূত্রের খবর, সেখানে তারক সিং, ফৈয়াজ খান, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়রা প্রশ্ন তোলেন, প্রাক্তন কাউন্সিলররা অহেতুক হেনস্থার শিকার হচ্ছেন। এবিষয়ে বিধানসভায় কেন সরব হচ্ছেন না? সূত্রের খবর, পুলিশের সঙ্গে কথা বলার আশ্বাস দিয়েছেন সন্দীপন সাহা, আখরুজ্জামানরা।
বিধানসভায় তৃণমূল এখন আড়াআড়ি ভাগ হয়ে গেছে। একদিকে ‘ঋতব্রত-তৃণমূল’ আরেকদিকে ‘কালীঘাট-তৃণমূল’। ভাঙনের আঁচ পড়েছে ছোট লালবাড়িতেও। একের পর এক তৃণমূল কাউন্সিলর পদ ছাড়ার পর, কলকাতা পুরসভায় এখন প্রশাসক বসানো হয়েছে। এই আবহে শনিবার কলকাতার প্রাক্তন কাউন্সিলরদের নিযে বৈঠকে বসেছিলেন ‘ঋতব্রত-তৃণমূল’-এর নেতারা। সূত্রের খবর, সেখানে তারক সিং, ফৈয়াজ খান, ক্রিশ্চিনা বিশ্বাস, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, ইন্দ্রাণী সাহা বন্দ্যোপাধ্যায়রা প্রাক্তন কাউন্সিলরদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
বিজেপি নেতাকে মারধরের অভিযোগে গ্রেফতার প্রাক্তন ফুটবলার রহিম নবির ভাই
রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূলের বহু কাউন্সিলর গ্রেফতার হয়েছেন। নানা ক্ষোভ-বিক্ষোভের মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের। সূত্রের খবর, শনিবারের বৈঠকে প্রাক্তন কাউন্সিলরদের একাংশ এনিয়ে প্রশ্ন তোলেন। মন্ত্রী জাভেদ খান, যিনি ‘ঋতব্রত তৃণমূল’-এর গঠিত জাতীয় কর্মসমিতির সাধারণ সম্পাদক, তাঁর ছেলে ফৈয়াজ খান বলেন, প্রাক্তন কাউন্সিলররা যাতে অহেতুক হেনস্থার শিকার না হন, সেটা নিশ্চিত করতেই এখানে আসছেন। তাঁদের বিষয়ে কী ভাবছেন? প্রাক্তন কাউন্সিলররা বলেন, যাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিক। কিন্তু ভোটের পর তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে তোলাবাজি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পুরনো মামলা দেওয়া হচ্ছে কেন? সেগুলো নিয়ে বিধানসভায় কেন সরব হচ্ছেন না?
প্রাক্তন কাউন্সিলররা আরও বলেন, তৃণমূলের পার্টি অফিস দখল করা হচ্ছে, নেতাদের এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না, ডিম ছোড়া হচ্ছে। কোনও অভিযোগ থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হোক, গ্রেফতার করা হোক। কিন্তু এভাবে হেনস্থা কেন করা হচ্ছে? সূত্রের খবর, সন্দীপন সাহা, আখরুজ্জামানরা আশ্বাস দেন, তাঁরা এবিষয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলবেন। শনিবার তপসিয়ার বোট ক্লাবের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ৪ জন বিধায়ক ও ৪৭ জন প্রাক্তন কাউন্সিলর।
এই পুরো বিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘তৃণমূল দল আছে কি? দ্রোহ-বিদ্রোহ এসবের কোনও অর্থ নেই। আমরা প্রথম থেকেই বলে আসছি তৃণমূল চলে যাবার পর তৃণমূল নামক দলটি শেষ হয়ে যাবে এবং তথাকথিত তৃণমূলীরাই তৃণমূলকে মারবে। যাঁরা ভাগ পায়নি…অসন্তোষ ছিল তৃণমূল কাউন্সিলরের প্রতি… মারছে এখন ধরে।’
Bankura News: রাস্তা দখল করে ক্লাব, এবার তা ভাঙতে প্রশাসনকে নির্দেশ বাঁকুড়ার বিধায়কের
