কলকাতা : প্রশ্নফাঁস ইস্য়ুতে দিল্লির যন্তর মন্তরে CJP-র আন্দোলন গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত চাপের মুখে পিছু হঠে শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সরাতে বাধ্য় হয়েছিল মোদি সরকার। সেই ককরোচ জনতা পার্টিই এবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে পথে। সারা দেশ জুড়ে চলছে প্রতিবাদ , বিক্ষোভ। মুম্বই ও দিল্লিতে চড়ছে উত্তেজনার পারদ। শুক্রবারই ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিবাদে সমর্থন জানাতে শিবাজি পার্কে হাজির হয়েছিলেন বিনোদন জগতের হেভিওয়েটরাও। পাল্টা আন্দোলনের পাশে দাঁড়ানোয় অভিনেতা-অভিনেত্রীদের কটাক্ষ করেছে বিজেপি। এদিকে কলকাতাতেও জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে পথে নামে বামেরা। আর এই ইস্যুতে প্রথম থেকেই গলা চড়িয়েছে মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস। এই ইস্যু নিয়ে ইন্ডিয়া ব্লকের সঙ্গে বৈঠকে যোগ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেও জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রীতিমতো সরব হন তিনি।
অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপি প্রথম থেকেই পাশে দাঁড়িয়েছে জ্ঞানেশ কুমারের। এই পরিস্থিতিতে জ্ঞানেশ ইস্যুতে পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, ‘ কয়েকটি রাজ্য়ে ইলেকশন আসছে। পশ্চিমবঙ্গে কয়েকটি মিউনিসিপ্য়ালিটি, কর্পোরেশন নির্বাচন আসছে। সেই জন্য় কোনও না কোনও ইস্য়ু নিয়ে রাস্তায় এদের নেমে লাফালাফি করতে হবে। এটাই চলছে। এর সঙ্গে না রাজনীতির, না সরকারের, না বাস্তব পরিস্থিতির কোনও সম্পর্ক আছে। ‘
ককরোচ পার্টির বিক্ষোভে গুরুত্ব দিচ্ছে না বিজেপি। হুঁশিয়ারি, পাল্টা হুঁশিয়ারিতে ক্রমশ চড়ছে পারদ।
CM Suvendu Adhikari: “ছেলেটার অপরাধ ছিল, আমার সহযোগী ছিল”, নন্দীগ্রামে গিয়ে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?
