Voice of Eastern India

কেন মমতা এতদিন সামনে আনেনি ? ২১ জুলাইয়ের রিপোর্ট প্রকাশ নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি মুখ্যমন্ত্রী, “বুদ্ধবাবুকে যখন..”


কলকাতা: কী হয়েছিল ১৯৯৩-র ২১ জুলাই? প্রকাশ্যে এল রিপোর্ট। ২১ জুলাইয়ের রিপোর্ট প্রকাশ রাজ্য সরকারের।  এদিন বিধানসভা থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

আরও পড়ুন, ২১ জুলাইয়ের রিপোর্ট নিয়ে বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা মদনের, বললেন, “আপনি একটা কবরস্ত ডেডবডি-কে, মাটির তলা থেকে খুঁড়ে নিয়ে এসে..”

প্রশ্ন: আপনি কমিশনের যে রিপোর্ট দেখেছেন, তাতে করে কেন এই গোটা বিষয়টাকে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়, এতদিন সামনে আনেনি। 

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী: আমার মনে হয়েছে যে, শহিদ পরিবারের প্রতি, উদাসিনতা..নইলে কেউ এমন অপরাধ করে ?! ২৫ লক্ষ টাকা কমিশন দেওয়ার পরে, তাঁদেরকে ২ লক্ষ টাকা দিয়েছে। ৫ লক্ষটাকা আহতদের দেওয়ার কথা বলেছিলাম, ১৫ হাজার টাকা দিয়েছে। আপনি ভাবতে পারেন, যার উপরে দাঁড়িয়ে, বাৎসরিক ডিমভাত উৎসবে পরিণত হয়েছে। যারা আত্মবলিদান দিলেন, তাঁদের প্রতি এই অবিচার, তাও একটা কমিশনের রেকোমেন্ডডেশনে, এটা ছাড়া আপনি কী বলবেন, এত অপরাধ। দ্বিতীয় সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় তাঁৎ রিপোর্টে বলছেন যে, কোনও তথ্য আমাকে দেওয়া হয়নি রাইটার্স থেকে। আমি যদি মুখ্যমন্ত্রী হয়ে, বিগত সরকারের, সব তথ্যের কাস্টডিয়াল আমি, ..আমরা মনে করলে প্রকাশ করতে পারি, কোনও হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্ট চায়, আমি বাধ্য। যদি খুঁজে না পাওয়া যায়, তৎকালীন যে দায়িত্বে ছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর করতে আমি বাধ্য। কোনও তথ্য কাগজই দেয়নি। এবং সবথেকে বড় উইটনেস হিসেবে দাবি করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি নিজে সাক্ষ্য দিতে চাননি। কমিশনে যাওয়ার দরকার ছিল না। বুদ্ধবাবুকে যখন প্রশ্ন পাঠিয়েছিলেন , তাঁকে প্রশ্ন পাঠাতেন, উত্তর দিয়ে দিতেন। ভার্চুয়ালি তিনি কমিশনকে উত্তর দিতে পারতেন। তিনি নিজে অ্যাপিয়ার হননি। আর সবচেয়ে বড় প্রামাণ্য হচ্ছে, প্রয়াত পঙ্কজ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, যে আমাকে ডাকা সত্ত্বেও যাননি, ৪৪ জন সাক্ষী গিয়েছেন। এক সাক্ষী ডিক্লায়েন্ড করেছেন যে আমি যাবো না। কারণ আমি জানি, এই কমিশন, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রসচিব এবং পুলিশের কিছু আধিকারিককে বাঁচাবার জন্য কাজ করেছে।



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.