Voice of Eastern India

CPM News: দিকে দিকে মার খাচ্ছে সিপিএম, কাঠগড়ায় BJP ! অভিযোগ খারিজ করে শমীক ভট্টাচার্য বললেন ‘ঘোলা জলে মাছ ধরার চেষ্টা…’


কলকাতা: কোথাও সিপিএমের ছাত্র সংগঠনের সভা চলাকালীন তাণ্ডব! আবার কোথাও সিপিএমের পার্টি অফিসে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় তালা! কোনও জায়গায় আবার সিপিএমের অফিসে ভাঙচুর চালানোর পর, জ্বালিয়ে দেওয়া হয় পার্টি অফিসের বিভিন্ন নথি! দিকে দিকে আক্রান্ত সিপিএম। কলকাতার আনন্দপুর থেকে উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুর, পরপর সিপিএমের পার্টি অফিসে চলল তাণ্ডব। বিজেপির বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অভিযোগ করেছেন বাম কর্মী-সমর্থকরা। কিন্তু সিপিএমের এই অভিযোগ খারিজ করেছে বিজেপি। এই সামগ্রিক ঘটনা নিয়ে বড় মন্তব্য করেন রাজ্যসভার সাংসদ ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। 

বিরাটি থেকে শুরু করে কলকাতার আনন্দপুর হয়ে উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুর, মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় এভাবে বামেদের ওপর নেমে আসে আক্রমণ! সব জায়গাতেই বিজেপি আশ্রিত দুষকৃতীদের দিকে হামলার অভিযোগ তুললেন সিপিএমের কর্মী-সমর্থকেরা। শুক্রবার ভর সন্ধেয়, বিরাটিতে SFI-এর সভায় চড়াও হয় একদল দুষ্কৃতী। এভাবেই ছিঁড়ে ফেলা হয় মঞ্চে লাগানো ফ্লেক্স। আছড়ে আছড়ে ভাঙা হয় চেয়ার। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই, আনন্দপুরের চৌবাগায় সিপিএমের পার্টি অফিসের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দখলের চেষ্টার অভিযোগ ওঠে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। রীতিমতো হাতুড়ি-ছেনি নিয়ে সিপিএমের কর্মীরা পুলিশের উপস্থিতিতে এই তালা ভেঙে খুললেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার সিপিএমের জেলা কমিটির সদস্য অপর্ণা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় বলেন, ”শুক্রবার আমাদের এখানে একটা মিছিল হয়েছে। বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তখনই একটা গন্ডগোল করার পরিবেশ করছিলেন। এলাকার মানুষ খবর দেয় তারাই এসে (বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা) এখানে তালা দিয়ে গেছে।” যদিও বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ বলেন, ”বিজেপির খেয়ে দেয়ে কাজ নেই, যে ওদের পার্টি অফিসকে তালা মারবে?”

দত্তপুকুরে আবার সিপিএমের ৫টা পার্টি অফিসে প্রায় একই সময়ে পরপর তাণ্ডব চালায় দুষকৃতীরা। ২৪ ঘণ্টায় বামেদের ওপর লাগাতার হামলা, আক্রমণ, যা নিয়ে চড়ছে রাজনীতি। সিপিএম নেতা আমেদ আলি খান বলেন, ”আমাদের পার্টি অফিস, গোটা দত্তপুকুর এরিয়া কমিটির অফিস-সহ ৫টা অফিসে তাণ্ডব চালিয়েছে।” যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন  বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, এখন সিপিএম ঘোলা জলে মাছ ধরার চেষ্টা করছে। কোথাও কোনও সংঘর্ষ নেই। যা সরকার চলছে, ঠিক চলছে। সামান্য যদি কোনও জায়গায় কোনও বিচ্যুতি থাকে, আমাদের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে জিরো টলারেন্স নিয়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.