কলকাতা: NRS হাসপাতালে নার্সের রহস্যমৃত্যু। হাসপাতালের শৌচাগার থেকে দেহ উদ্ধার। ওই স্টাফ নার্সের নাম রূপালি বর্মন। গাইনি বিল্ডিংয়ের শৌচাগার থেকে দেহ উদ্ধার। মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। শৌচালয়ে দেহের পাশে পড়ে ছিল অপারেশনের আগে অচৈতন্য করার ওষুধ ফেন্টানিল, মিডাজোলামের ৩টে ভায়াল। নার্সের কনুইয়ের সন্ধিস্থলের শিরায় দেওয়া হয়েছে ওষুধ, অনুমান চিকিৎসকদের। নার্সের রহস্যমৃত্যুর খবর পেয়ে NRS হাসপাতালে পৌঁছলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
গাইনি বিল্ডিংয়ের শৌচাগার থেকে দেহ উদ্ধার। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। অ্যান্টিন্যাটাল ওয়ার্ডের স্টাফ টয়লেটে অ্যানাস্থেসিয়া ইনজেকশন নিয়ে আত্মহত্যা বলে সন্দেহ। দেহে বাহ্যিক আঘাতের কোনও চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
জানা গিয়েছে ওই নার্সের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরে। এক বছর আগে বিয়ে হয় বলে জানা গিয়েছে। প্রেম ঘটিত কারণ থাকতে পারে নেপথ্যে এমনটাই প্রাথমিকভাবে মনে করছে। এনআরএস থেকেই নার্সিং এমএসসি করেছিলেন তিনি। অতি সম্প্রতি এই হাসপাতালে বদলি হয়ে এসেছিলেন বলে সূত্রের খবর।
পুলিশ জানিয়েছে, এনআরএস- এর তরফে এন্টালি থানার কাছের আউটপোস্ট থেকে খবর আসে যে এইচডিউ ওয়ার্ডের একজন মহিলা নার্স, যিনি রুম নম্বর ৩৩ এ রয়েছেন। সেখানে আত্মঘাতী হয়েছেন । এরপর খবর পেয়েই হোমিসাইড শাখার আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে যান। সেখানে জানা যায় ৩০ বছর বয়সি নার্সকে খাটে অচৈতন্য অবস্থায় পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন, গৃহবধূর রহস্যমৃত্যু, দেহের বিভিন্ন অংশে কোপানোর চিহ্ন, ভয়ঙ্কর ঘটনা দমদমে
এখনও পর্যন্ত খবর, ওই নার্স রাতের ডিউটি করতে হাসপাতালে এসেছিলেন। ৮টা নাগাদ আসেন। ১০.২০ নাগাদ ওয়াশরুমে যান। এরপর ১০.২৭ নাগাদ তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন কিন্তু যোগাযোগ করতে না পেরে খোঁজ করতে শুরু করেন। পরে দেখা যায় ওয়াশরুমের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করার পরও দরজা না খুললে এরপর দরজা ভেঙে ঢোকা হয়।
তদন্ত প্রক্রিয়ায়র জন্য ওই শৌচাগার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এঈ ওয়ার্ডে ভর্তি হওয়া রোগীদের যাতে চিকিৎসায় অসুবিধা না হয়, সেই বিষয়ও দেখা হচ্ছে।
