Voice of Eastern India

TMC News: আরও একা হয়ে যাচ্ছেন মমতা? ‘কালীঘাট তৃণমূল’ থেকে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন আরও একজন? কাকলির মন্তব্যে বাড়ল জল্পনা


কলকাতা: ‘কালীঘাট-তৃণমূলে’ কি আরও ভাঙন ধরছে? কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং শশী পাঁজার সাক্ষাতে বাড়ল জল্পনা। শশীকে নিজের ‘প্রথম ছাত্রী’ বলে উল্লেখ করলেন তিনি। এখনও প্রতিদিন ‘ঘোষ দস্তিদার ইনস্টিটিউট অফ ফার্টিলিটি রিসার্চে’ শশী রোগী দেখেন বলেও জানান। শুধু তাই নয়, রাস্তা আলাদা হওয়ার পরও শশীর সঙ্গে নিয়মিত কথা হয় বলে জানিয়েছেন কাকলি। আর তাতেই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি আরও একা হয়ে যেতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? (Kakoli Ghosh Dastidar on Shashi Panja)

বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই মুষলপর্ব শুরু তৃণমূলে। কার্যত তিন ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে দল। ২০ জন সাংসদ রাতারাতি যোগ দিয়েছেন NCPI-তে। মুষ্টিমেয় কয়েক জন ছাড়া বাকি বিধায়করা যোগ দিয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে। তবে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ, দোলা সেনের মতো অনেকেই এখনও মমতায় আস্থা রেখেছেন। খাতায় কলমে শিবিরবদল না করায় রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শশীও ‘কালীঘাট তৃণমূলে’ রয়েছেন বলে ধরে নিয়েছিলেন অনেকেই। (TMC News)

আরও পড়ুন: ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনকে নিয়ে কী মত? তসলিমা নাসরিন বললেন, ‘…পরিণতি ভাল হয় না’

সেই আবহেই শনিবার কাকলির চেম্বারে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন শশী। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে শ্যামপুকুরে পরাজিত হয়েছেন শশী। সেই থেকে জনসমক্ষে সেভাবে দেখা যায়নি তাঁকে। তাই হঠাৎ করে কাকলির সঙ্গে সাক্ষাৎ ঘিরে জল্পনা শুরু হয়। সেই জল্পনায় আরও ঘি ঢেলেছেন খোদ কাকলি। তাঁর বক্তব্য, “আমার প্রথম ছাত্রী শশী পাঁজা। আর জি কর থেকে পাশ করে আমার সঙ্গে আলট্রা সাউন্ড শেখার জন্য কাজ শুরু করে ১৯৮৭-‘৮৮ থেকে। সেই থেকে এখনও পর্যন্ত ঘোষ দস্তিদার ইনস্টিটিউট অফ ফার্টিলিটি রিসার্চে পার্টিকুলার আলট্রা সাউন্ডের কাজটা করে। প্রতিদিন সেখানে যায় এবং রোগী দেখে। ৩০-৩৫ বছর ধরে রোজ আসে। রোজ কথা হয় ওর সঙ্গে।”

আরও পড়ুন: সামান্য সরকারি কর্মী হয়ে ছেলেকে বিদেশে পড়ালেন কী করে? এবার অভিজিৎ দীপকের বাবার বিরুদ্ধে তদন্ত হবে?

শশীর অবস্থান ঘিরে যে জল্পনা শুরু হয়েছে, সেই নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন কুণাল ঘোষও। তাঁর বক্তব্য, “প্রাক্তন মন্ত্রী, দলীয়  নেত্রী, ঘন ঘন সাংবাদিক বৈঠকে আমার অন্যতম সঙ্গী- বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে শশী পাঁজাকে কর্মীরাও সেভাবে দেখতে পাননি, আমরাও দেখতে পাইনি। শশী পাঁজার বাড়িতে যখন বিজেপি হামলা চালায় ভোটের আগে, সেই কর্মীদের একের পর এক গ্রেফতার করা হলেও থানা বা আদালতে তাঁর সাহায্য় দেখতে পাইনি। আমি নিজেও ফোন করেছি, যোগাযোগ করেছি। কলকাতার বাইরে ছিলেন। বলেছিলেন ফিরে এসে যোগাযোগ করবেন। ঘটনাচক্রে যোগাযোগ হয়নি। “

তাহলে কি শশীও ‘কালীঘাট তৃণমূল’ ছাড়তে চলেছেন? কুণাল বলেন, “এখন উনি কার কাছে যাবেন, কার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল, কোনটা চিকিৎসক হিসেবে, কোনটা তৃণমূল হিসেবে, কোনটা ভাল তৃণমূল হিসেবে, কোনটা খারাপ তৃণমূল হিসেবে- বুঝব কী করে?” এ নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি শশী।



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.