ABP Ananda LIVE : ‘ব্যাঙ্কে ব্যালেন্স চেক করতে গিয়ে দেখি বিশাল বড় ব্যালেন্স। তা দেখে আমি চমকে গেছি। আমার ওই অ্যাকাউন্টেই বিধবা ভাতা ঢোকে। ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে কোনও সাহায্য পাইনি আমি’, বললেন অভিযোগকারী।
‘আগে আমাদের গালাগালি দিত…ঔদ্ধত্য বাড়ছে প্রতিদিন’, মমতাকে আক্রমণ মদনের
আমার ঘেন্না ধরে গিয়েছে। ঘেন্না, ঘেন্না, ঘেন্না। মানসিক ভাবে কি রাজনীতি ছাড়ার কথা ভাবছি আমি? আগে যখন যেতাম, বলত ‘আমাদের দেবতা, দাদা গেল’। আরে মদন মিত্র যাচ্ছে, সেলফি তুলব। আর এখন যখন যাই বুঝতে পারি মুখে বলছে না কিন্তু চোখ দিয়ে বলছে ‘দেখ আর একটা চোর গেল’। এই যে টুলু মণ্ডল, চারদিক থেকে নাম আসছে। আমি শুভেন্দুকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। শুভেন্দু না এলে তো জানতেই পারতাম না এগুলো। শুভেন্দু এসেছে বলেই জানতে পারছি। হতে পারে এই লোকগুলে প্রাক্তন তৃণমূল বা এখন আমাদের তৃণমূল। শিবির বদলে মানুষ আগ্রহী নন। বরং এই যে নতুন সরকার এসেছে, তাতে আগ্রহী মানুষ। দেখি না! ১৫ বছর মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় ছিল। মাত্র দু’মাস এসেছে এই সরকার। দেখি না সুযোগ দিয়ে! মানুষ কিন্তু নজর করছে। তবে এই সরকার যদি একই পথের পথিক হয়, মানুষ ভাল ভাবে নেবে না। আমি যদি মমতার শিবির থেকে সরে আসি আজ, জনগণের কিছু যায় আসে না। কাল ফিরে গেলেও যায় আসে না আর। কারণ সবাই জেনে গিয়েছে, এই ভাল আর কালোর মধ্যে ভিতরে কিন্তু সেটিংয়ের খেলা চলছে। একদম সেটিংয়ের খেলা। এমন সেটিংয়ের খেলা যে আজ যাকে দেখবে কুখ্যাত অপরাধী, স্টেশনে স্টেশনে ছবি, লুকআউট নোটিস বেরিয়ে গিয়েছে, কাল দেখবে বড় সম্মানে ভূষিত করা হচ্ছে। পায়ের উপর পা দিয়ে বসে সম্মান নিচ্ছে। এই শিবির বদলের পরে…আমরা কেন বদল করেছিলাম যে মমতার ন্যূনতম দুঃখ হোক, আক্ষেপ হোক, যে কেন পুরনো লোকগুলো চলে যাচ্ছে কেন থাকছে না…তাতে দেখলাম কোনও বদল নেই। ঔদ্ধত্য প্রতিদিন বাড়ছে। আগে আমাদের গালাগালি দিত, এখন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তুই-তোকারি করে গালাগালি দিচ্ছে। দেখে নেব বলছে। এটা বাংলার অস্মিতা নয়। মারা যাব, পাশের বাড়ির লোকও জানতে আসবে না, রজনীগন্ধাও দিতে আসবে না: মদন মিত্র।
