Voice of Eastern India

Dharmatala NEET Protest Chaos: কীভাবে তাণ্ডব? পুলিশ ভ্যান থেকে ধৃতদের একে একে নামিয়ে, খালি পায়ে হাঁটিয়ে পুনর্নির্মাণ ধর্মতলায়


পার্থপ্রতিম ঘোষ, কলকাতা : নিট- এর প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে প্রতিবাদ-বিক্ষোভের নামে গত শুক্রবার ঠিক কী ঘটেছিল ধর্মতলায়? কীভাবে তাণ্ডব তা জানতে, ধর্মতলায় ধুন্ধুমারকাণ্ডের তদন্ত করতে ঘটনাস্থলে ৫ ধৃতকে নিয়ে গিয়ে পুনর্নির্মাণ করেছে পুলিশ। প্রথমে খালি পায়ে হাঁটানো হয় অন্যতম অভিযুক্ত মহম্মদ আফরোজকে। তারপর খালি পায়ে এলাকা দিয়ে হাঁটানো হয় খালেদ রেজাকে। সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, ভাঙচুর, সাংবাদিক নিগ্রহে সরাসরি যুক্ত থাকার অভিযোগে ধর্মতলাকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ১৬ জন গ্রেফতার হয়েছে। এই ১৬ জনের মধ্যে ৫ জনকে আজ ২৭ জুলাই সোমবার দুপুরে ধর্মতলা চত্বরে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করেছে পুলিশ। শেখ সলমন নামের এক অভিযুক্তকেও খালি পায়ে হাঁটিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করেছে পুলিশ। মহম্মদ মইনুদ্দিন নামের আরেক অভিযুক্তকেও হাঁটানো হয়েছে খালি পায়ে এবং ঘটনার পুনর্নির্মাণ করেছে পুলিশ। ৫ ধৃতদের একে একে পুলিশের প্রিজন ভ্যান থেকে নামিয়ে হাঁটানো হয়েছে ধর্মতলার রাস্তায়। গুন্ডা দমন আইন প্রয়োগ করা হয়েছে ধৃতদের উপর। 

রক্ত নিয়ে বেআইনি কারবার, কলকাতার আরও ১ ব্লাড ব্যাঙ্কের নামে গুরুতর অভিযোগ, কী কী কীর্তি ফাঁস ?

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ধর্মতলার ঘটনার পর বিধানসভায় অন্যতম মূল অভিযুক্ত হিসেবে ৫ জনের নাম শোনা গিয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মুখে। তার মধ্যে নাম ছিল মহম্মদ আফরোজেরও। ইতিমধ্যেই তার নানা কীর্তি প্রকাশ্যে এসেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল আফরোজের রিলস, যেখানে অস্ত্র হাতে রয়েছে সে এবং নিজেকে মাফিয়া বলেই পরিচয়ও দেয় আফরোজ। একটি গ্যাং-ও রয়েছে তার। তৃণমূল-যোগও পাওয়া গিয়েছে আফরোজের। মেটিয়াবুরুজের তৃণমূল বিধায়ক খালেক আলি মোল্লা- র ভোটপ্রচারে দেখা গিয়েছে আফরোজের ছবি। যদিও তৃণমূল বিধায়ক জানিয়েছেন তিনি আফরোজকে চেনেন না। ঘটনার দিন বীরবিক্রমে দেখা গেলেও আজ মহম্মদ আফরোজ মুখে কুলুপ এঁটেছিল। সাংবাদিকদের একটি প্রশ্নের জবাব দিতেও দেখা যায় না তাকে। মাঝে মাঝে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা গিয়েছে আফরোজকে। পরনে কালো শার্ট, হাফপ্যান্ট, খালি পা – পুলিশের ঘেরাটোপে চুপচাপ হেঁটে যাচ্ছিল সে। 

আরেক অভিযুক্ত (রাজু) পুলিশের ভ্যানে বসে দাবি করেছে, সে কংগ্রেস কর্মী। ঘটনার দিন কলেজ স্ট্রিটে ছিল সে। পায়ে তিনটি প্লেট বসানো রয়েছে তার। ঠিক মতো হাঁটাচলা করতেও পারে না। ঘটনার সময় কলেজ স্ট্রিটের ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসের কাছে ছিল সে। ফলের ব্যবসা রয়েছে তার। ধর্মতলায় সেদিন আসেইনি সে। তার কোনও ছবি নেই। সেদিন কলেজ স্ট্রিটে ছিল সে। ওখানেই বাড়ি। আর কোনওদিকে যায়নি সে। আরেক অভিযুক্ত হাঁটার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছে, ‘কী উস্কানি দিয়েছি দেখান, প্রমাণ করতে পারবেন?’ অভিযুক্ত খালেদ রেজা যে একজন কংগ্রেস নেতা সে বলছে, ‘ধর্মতলার মোড়ে আমাদের প্রতিবাদ ছিল। আমাদের শুভঙ্কর সরকার, অমিতাভ চক্রবর্তী ছিল। রাহুল গান্ধী আমাদের নির্দেশ দিয়েছিল। ওখানে ট্রাফিকের ক্যামেরা আছে। দেখে নিন কী হয়েছে।’ পায়ের সমস্যা থাকায় রাজুকে ভ্যানে বসিয়েই জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। প্রায় ১ ঘণ্টার উপর ঘটনার পুনর্নির্মাণ হয়েছে ধর্মতলায়। 



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.