কলকাতা: নিউটাউনের পর মধ্যমগ্রাম, ২ দিনে পরপর লিভ ইন পার্টনারের মৃত্যু। মধ্যমগ্রামের হোটেল থেকে লিভ-ইন পার্টনারের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার। মধ্যমগ্রামের পাটুলির বাসিন্দা রিনা রামের দেহ উদ্ধার। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার পুরুষ সঙ্গী। ২ দিন আগে হোটেলে ঘর ভাড়া নেন রিনা রাম ও তাঁর সঙ্গী গৌরব শেঠ।
একদিন আগে নিউটাউনের ফ্ল্যাটে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হল তরুণীর। ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হল দেহ। উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরের বাসিন্দা তৃষা সাহা। ৪ মাস আগে নিউটাউনের চণ্ডীবেড়িয়ায় ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিলেন তরুণী। সেই ফ্ল্যাটে নৈহাটির এক যুবকের সঙ্গে লিভ ইন পার্টনারের সঙ্গে থাকছিলেন তিনি।
এই ফ্ল্যাট থেকেই রবিবার রাতে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় তরুণীর দেহ। আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তরুণীর লিভ ইন পার্টনার যুবককে। প্রশ্ন উঠছে, তবে কি লিভ ইন পার্টনার তরুণীকে খুন করে নিজে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করেছিল ওই তরুণ?
নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে অন্য কোনও কারণ? ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আহত যুবক।
সূত্রের খবর, মৃত তরুণীর নাম তৃষা সাহা (২৫)। ব্যারাকপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন তিনি। মাস চারেক আগে নৈহাটির সৌভিক রায়ের সঙ্গে একটি ফ্ল্যাটে থাকতে শুরু করেছিলেন তৃষা। জানা গিয়েছে, দু’জনেই বেসরকারি সংস্থায় কাজ করত। এমতাবস্থায় রবিবার রবিবার গভীর রাতে নিউটাউন চন্ডিবেড়িয়া এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে তৃষার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। পাশেই রক্তাক্ত অবস্থায় অচৈতন্য হয়ে পড়েছিলেন সৌভিক। তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অন্যদিকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিস। সংবাদ প্রতিবেদন
পুলিসের প্রাথমিক অনুমাণ, সম্পর্কে টানাপোড়েনের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। তবে তৃষার মৃত্যুর নেপথ্যে সৌভিকের হাত আছে কিনা তা এখনও স্পষ্ট না। তরুণীর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। এই কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। তবে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে চলছে তদন্ত।
