Voice of Eastern India

Baruipur CPM Arrest: বারুইপুরকাণ্ডে গ্রেফতার সিপিএম নেতা লাহেক আলি, কোন কোন ধারায় মামলা রুজু তাঁর বিরুদ্ধে ?


পার্থপ্রতিম ঘোষ, বারুইপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা : বারুইপুরকাণ্ডে অশান্তিতে উস্কানি, গ্রেফতার সিপিএম নেতা লাহেক আলি। সূর্যপুরে অশান্তির ঘটনায় গ্রেফতার সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বারুইপুর পশ্চিম থেকে প্রার্থীও হয়েছিলেন তিনি। রবিবার ১২ জুলাই রাতে বারুইপুরে বাড়ি থেকেই গ্রেফতার করা হয় লাহেক আলিকে। 

ধৃত সিপিএম নেতার লাহেক আলির বিরুদ্ধে বিএনএস- এর ২০টি ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। উস্কানি, প্ররোচনা, গন্ডগোল পাকানো, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ধারায় মামলা হয়েছে লাহেক আলির বিরুদ্ধে। আগামীকাল তাঁকে আদালতে পেশ করে হেফাজতে চাইতে পারে পুলিশ। জানা গিয়েছে, লাহেক আলির বিরুদ্ধে রেলওয়ে অ্যাক্টেও মামলা দায়ের হয়েছে। গণপিটুনিতে হত্যা, বেআইনি জমায়েত, হিংসায় উস্কানি, দাঙ্গা ছড়ানোর ধারাতেও মামলা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এর পাশাপাশি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, সরকারি কর্মীকে কাজে বাধা, হামলার ধারাতেও মামলা হয়েছে। 

বারুইপুরকাণ্ডে গ্রেফতার সিপিএম নেতা, উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ ধৃতের বিরুদ্ধে

অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, গণপিটুনিতে খুন, প্ররোচনা দেওয়া, বেআইনি সমাবেশ, দাঙ্গা, প্রাণঘাতী অস্ত্র নিয়ে আসা, উস্কানি দেওয়া, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা-বিদ্বেষ ছড়ানো, জনসাধারণের সম্পত্তি নষ্ট করা, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা, সরকারি কর্মচারীকে কাজে বাধা, সরকারি কর্মচারীর উপর হামলা, অপরাধমূলক ভয় দেখানো, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা, সংরক্ষিত সম্পত্তি নষ্ট করা, অবৈধ কাজ করা, রেলের সম্পত্তির ক্ষতি করা, রেলকর্মীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত – এই ধারাগুলিতে মামলা রুজু হয়েছে ধৃত লাহেক আলির বিরুদ্ধে। 

বারুইপুরে নাবালিকাকে গণধর্ষণ করে খুনের মতো নৃশংস ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয় বারুইপুরের সূর্যপুরে। রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ করতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। এই ঘটনায় ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগে সিপিএম নেতা লাহেক আলিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বারুইপুর পশ্চিমের এবারের বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী ছিলেন এই লাহেক আলি। গত রবিবার ৫ জুলাই, রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় বারুইপুরের সূর্যপুরে। ঘটনার দিন এলাকায় ছিলেন সিপিএম নেতা। গিয়েছিলেন হাসপাতালেও। ঘটনার প্রতিবাদও করেছিলেন তিনি। রবিবার ১২ জুলাই রাতে বারুইপুর থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছে এই সিপিএম নেতাকে। 

গত রবিবার পুকুর থেকে নাবালিকার মৃতদেহ উদ্ধারের পরই শুরু হয় বিক্ষোভ। গাছের গুঁড়ি ফেলে, টায়ার জ্বালিয়ে চলে টানা বিক্ষোভ। ঘটনাস্থলে পুলিশ এলে তাদের ঘিরেও বিক্ষোভ শুরু হয়। অভিযোগ, পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট, কাচের বোতল ছোড়া হয়। ঘটনার দিন আইজি প্রেসিডেন্সি রেঞ্জ কঙ্করপ্রসাদ বারুইের পাশেও দেখা যায় এই লাহেক আলিকে। ঘটনার পর পুলিশ একটি এফআইআর করে। যেখানে সুজন চক্রবর্তী ও লাহেক আলি-লহ চারজনের নাম ছিল। গণপিটুনি, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্য়ে বিভেদ ছড়ানো, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, সরকারি কর্মচারীকে কাজে বাধা, মারধর-সহ BNS-এর ২০টি ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। 



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.