Voice of Eastern India

আহতদের নিয়ে একের পর এক অ্যাম্বুলেন্স ঢুকছে SSKM-এ, তারাতলা দুর্ঘটনায় বাড়ছে মৃত-আহতের সংখ্যা


ঝিলম করঞ্জাই, কলকাতা : তারাতলায় বিপর্যয়ে এখনও পর্যন্ত ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এসএসকেএমের ট্রমা কেয়ার সেন্টারে ১৮ জনকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে তিনজন মৃত বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা যাচ্ছে। অর্থাৎ, তারাতলায় নির্মীয়মাণ গোডাউনের ছাদ ভেঙে এই মুহূর্তে ১৫ জনের চিকিৎসা চলছে এসএসকেএম হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারে। এই ১৫ জনের মধ্যে বেশ কয়েকজনের হাড়ে চোট আছে। ইন্টারনাল আঘাত রয়েছে বলে খবর। একের পর এক অ্যাম্বুলেন্সে তারাতলা থেকে আহত শ্রমিকদের নিয়ে আসা হচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের দ্রুত স্ট্রেচারে তুলে নিয়ে চলে যাওয়া হচ্ছে। ওটিও প্রস্তুত।

হাসপাতালে যাতে অতিরিক্ত ভিড় না হয় তা নিশ্চিত করতে ট্রমা কেয়ার বিল্ডিংয়ের সামনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি সেখানে চিকিৎসক থেকে নার্স, সর্বক্ষণের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। একের পর এক অ্যাম্বুলেন্সে তারাতলা থেকে আহত শ্রমিকদের নিয়ে আসা হচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের দ্রুত স্ট্রেচারে তুলে নিয়ে চলে যাওয়া হচ্ছে। ওটি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসায় একটি মাল্টি-ডিসসিপ্লিনারি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। তাতে রয়েছেন সার্জারির বিশেষজ্ঞরা, প্লাস্টিক সার্জারির বিশেষজ্ঞরা, নিউরো মেডিসিন, নিউরো সার্জারি, অর্থোপেডিক এবং মেডিসিনের বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, তারাতলা থেকে এসএসকেএম পর্যন্ত যে রুট, সেই রুটে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। যাতে দ্রুত আহতদের হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়। ট্রমা কেয়ার সেন্টারের চিকিৎসক এবং এসএসকেএমের আধিকারিকরা প্রতি মুহূর্তে আহতদের মনিটরিং করছেন। কার কী শারীরিক অবস্থা, কার কী প্রয়োজনীয়তা রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তৎপরতা চরমে। 

এদিন দুপুর ১২টা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। সেনা, জাতীয় বিপর্যয় বাহিনী একসঙ্গে রয়েছে। এর পাশাপাশি রয়েছে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, দমকল। বিভিন্ন জায়গায় গ্যাস কাটার দিয়ে বিম কেটে ভেতরে আটকে থাকা মানুষদের বের করার চেষ্টা চলছে। অনেকেই এখনও আটকে রয়েছেন ভেতরে। কিন্তু, কী অবস্থায় তাঁরা রয়েছেন সেই বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়। আবার কোনও কোনও অংশে ভার্টিকাল ড্রিল করে ভেতরে প্রবেশ করার চেষ্টা করে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দল। ওপরের দিক থেকে নীচের দিকে যাওয়ার পথ তৈরির করার চেষ্টা চলছে। এভাবে ভেতরে ঢুকতে পারলে বিপর্যয়ের ছবিটা অনেকটা স্পষ্ট হয়ে যাবে। 



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.