Voice of Eastern India

“যারা আপনাদের লুঠ করেছে, আজ তারা নিজেরাই এসে লুঠ করা টাকা ফেরত দিচ্ছে”, মোদির মুখে বিকাশের কথা


তারকেশ্বর, হুগলি: পশ্চিমবঙ্গ দিবসের অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে তারকেশ্বরে এসেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। সেখানে সভা মঞ্চ থেকে মোদির মুখে শোনা গেল উন্নয়নের কথা। তিনি বললেন, রাজ্যের মানুষের উন্নয়নই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। এ ছাড়াও সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নিয়েও পূর্বতন সরকারকেও আক্রমণ করেন তিনি। এ ছাড়াও সিন্ডিকেট রাজ শেষ হয়ে গিয়েছে, বলতে শোনা যায় তাঁকে। কাটমানি নিয়েও বাংলায় হুঙ্কার দিতে শোনা যায় তাঁকে।

আরও পড়ুন: ইতিহাসকে হোয়াইট ওয়াশ করার চেষ্টা হয়েছে, আগের সরকার পশ্চিমবঙ্গকে অনুপ্রবেশকারীদের ঘাঁটি বানিয়েছে: নরেন্দ্র মোদি

মোদি বলেন, “শুধুমাত্র আপনার অধিকারই আমাদের লক্ষ্য। পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নই আমাদের লক্ষ্য। পশ্চিমবঙ্গ ও দেশের নিরাপত্তাই আমাদের লক্ষ্য। আপনি দেখেছেন, সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য পূর্বতন সরকার জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া আটকে রেখেছিল। নতুন সরকার তৈরি হতেই ওই কাজ শেষ করার কাজ শুরু হয়েছে। ভাই ও বোনেরা, আমি আনন্দিত যে পশ্চিমবঙ্গের উন্নতি শুরু হয়েছে। এর পিছনে রয়েছে আইনের শাসন।”

মোদির মুখে অবৈধ টোল থেকে কাটমানি প্রসঙ্গ

কাটমানি থেকে অবৈধ টোল, বেআইনি ভাবে যেখান থেকে টাকা উঠত, সেই ব্যাপারগুলো নিয়েও বলতে শোনা যায় প্রধানমন্ত্রীকে। নরেন্দ্র মোদি বলেন, “শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, গোটা দেশই আজ এই বদলে দেখতে পাচ্ছে। যাঁরা আপনাদের লুঠ করেছে, আজ তাঁরা নিজেরাই এসে লুঠ করা টাকা ফেরত দিচ্ছে। বড় লুঠেরাদের জেলে পাঠানো হচ্ছে। যারা সিন্ডিকেট চালাত, তারাও মানুষের কাছের ক্ষমা চাইছে। যারা অবৈধ টোল তুলতো, সেই সব গুণ্ডারা টোল প্লাজা ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ নিশ্চিন্তে যাওয়া আসা করতে পারছেন, কেউ আটকাচ্ছে না।” এরপর তাঁকে বাংলায় বলতে শোনা যায়, “এখন, কাটমানি শেষ, কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।”

আরও পড়ুন: গ্রেট ক্যালাকাট কিলিং থেকে নোয়াখালি দাঙ্গা, অনেক হিংসা, রক্তপাতের সাক্ষী থেকেছে পশ্চিমবঙ্গ, ইতিহাসকে ধামাচাপা দিতে তোষণের খেলা চলেছে: নরেন্দ্র মোদি

পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো নিয়েও আক্রমণ মোদির

পশ্চিমবঙ্গের খারাপ রাস্তা ও জরাজীর্ণ পরিকাঠামো নিয়ে এদিন তারকেশ্বরের সভা থেকে মোদি বলেন, “যে পশ্চিমবঙ্গ এতদিন খারাপ রাস্তা ও জরাজীর্ণ পরিকাঠামো নিয়ে ভুগছিল, সেখানে বছরের পর বছর আটকে থাক প্রজেক্ট দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। চিংড়িঘাটা ক্রসিংয়ে আটকে থাকা কলকাতা মেট্রোর কাজ শেষও হয়ে গিয়েছে। হাওড়ার প্রায় ১০০ কোটি টাকা খরচ করে নতুন ডিভিশনাল রেলওয়ে হাসপাতালের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন হয়ে গিয়েছে। এখানে আপৎকালীন চিকিৎসা ও কঠিন রোগের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।”



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.